লাভজনক নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসা

আবাসন খাতের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সংগতি রেখে বেড়ে চলছে নির্মাণ সামগ্রী চাহিদা। গ্রাম এবং শহর সবর্ত্রই নিমার্ণ সামগ্রী এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আবাসিক বাড়ি বা অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণে নির্মাণ সামগ্রীর বিকল্প নেই। নির্মাণ সামগ্রীর প্রধান উপকরণ ইট, বালু, সিমেন্ট, রড ইত্যাদির পাশাপাশি ভেনটিলেটর, ছোট পিলার, বালতি, কনুই এই সকল পণ্যের সমাহার ঘটিয়ে যেকোনো পরিশ্রমী ও আত্মত্যয়ী উদ্যোক্তা লাভজনক এ ব্যবসাটি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।

মাঝারি মানের মূলধন আর নির্মাণ উপকরণ গুলো সংরক্ষণের জন্য ছোট একটি স্থান হলে দিব্যি চালিয়ে যেতে পারেন ব্যবসাটি। নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসা করে নিজের একটি সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি দক্ষ মিস্ত্রি এবং নির্মাণ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে বহু লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সততা, পরিশ্রম আর কর্মনিষ্ঠা এই ব্যবসাটি আপনাকে সফল ও লাভবান হতে সহায়তা করবে। তাই, যেকোনো তরুণ ও বেকার উদ্যোক্তা নিশ্চিত বিনিয়োগ করে এ ব্যবসাটি নির্বাহ করতে পারেন।

যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো এবং প্রচুর লোক সমাগম হয় এমন কোন বাজারে এই ব্যবসাটি শুরু করা যায়। তবে ব্যবসার স্থান নির্ধারণ করার সময় সামনে কিছুটা বড় জায়গা থাকা জরুরী। জানুন ব্যবসা শুরু করার উত্তম সময় কখন? এই ব্যবসাটি শুরু করতে আনুমানিক ৫,০০,০০০ টাকা থেকে ২০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত পুজিঁ বিনিয়োগ করতে হবে। যদি পুরাতন মালামাল ক্রয় করেন তবে টাকার পরিমাণ আরো কম লাগবে।

প্রথমেই এই ব্যবসাটি শুরু করার জন্য একটি উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা জরুরী। তারপর কোন পণ্যটি তৈরী করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। সিমেন্ট, বালি ও পানি পরিমাণমতে মিশিয়ে এই সকল পণ্য গুলো তৈরী করত হয়। পরিমাণমতো কাচাঁমাল ডাইসে ঢেলে, কাচাঁমাল শক্ত হয়ে গেলেই তৈরী পণ্য তৈরী হয়ে যায়। ডাইসের ভিতর কেরোসিন মিশিয়ে নিতে হবে যেন কাচাঁমাল ডাইসে লেগে না যায়। পণ্য তৈরী হয়ে গেলে পণ্যটি ৪ বা ৫ দিন পানিতে ডুবিয়ে রাখতে। তারপর এই পণ্য গুলো বাজারজাত করা হয়ে থাকে।

যারা বাড়ি- ঘর নির্মাণ করেন সে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানই এই ব্যবসার প্রধান গ্রাহক। এই ব্যবসায় গ্রাহকই আপনার কাছে ছুটে আসবে। তাই গ্রাহক পাবেন কি পাবেন না এই সম্যাসা নেই। তবে হ্যা, কাজের মান খারাপ হলে নতুন গ্রাহক পেতে সম্যাসা হবে। এই ব্যবসাটি শুরু করতে তেমন কোন যোগ্যতার দরকার হয় না। ব্যবসাটি শুরু করে প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকা থেকে ১,৫০০০০ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন:

Facebook
Twitter
Pinterest
LinkedIn

সম্পর্কিত পোস্ট

দেড়শ নারীকে স্বাবলম্বী করছেন ফেরদৌসি পারভীন!

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নারীদের একটা অংশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুঁজির অভাবে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারছে না। থামি. পিননসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রস্তুত করতে

উদ্যোক্তাদের জন্য মানসিক চাপ কমানোর কিছু পন্থা

আমরা আজকে উদ্যোক্তাদের জন্য আলোচনা করবো মানসিক চাপ কমানোর পন্থা নিয়ে কারন উদ্যোক্তারা অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে তার উদ্যোগ কে সফলার দিকে নিয়ে যেতে পারে

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী রায়হান!

‘পরিবারে কোনো আর্থিক অনটন ছিল না। পড়েছি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমার মতো ছেলে কেন ছাগল পালন করবে, এটাই ছিল মানুষের আপত্তির কারণ। কিন্তু মানুষের সেসব