যেভাবে বিরক্তিকর সহকর্মীকে এড়িয়ে চলবেন!

যারা চাকরি করেন তাদের দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে অফিসে। এজন্য এই জায়গার পরিবেশ হওয়া উচিত নিজের মনমতো। এখানে স্বস্তি বা শান্তির পরিবেশ না থাকলে চাপের মুখে কাজ করাও যেমন অসম্ভব, তেমনই পেশার প্রতি আসতে পারে বিরক্তি।

ভালোভাবে কাজ করতে সুস্থ পরিবেশ থাকা জরুরি। কিন্তু অনেককেই অফিসে নানা রকম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো কোনও সহকর্মীর বিরক্তিকর আচরণ।

কোনও সহকর্মী যদি একটু বেশিই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তার সঙ্গে কিছু কৌশল অবলম্বন করে চলুন। এতে তিনিও বিরক্ত করার সুযোগ পাবেন না এবং আপনিও ঝামেলা এড়িয়ে ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করতে পারবেন।

মনে রাখবেন, অফিসটা কাজের জায়গা। কোনও বিরক্তিকর সহকর্মীর সঙ্গে আপনার সমস্যা নিয়ে অন্য সহকর্মীরা আপনার পক্ষ নিলেও বা তা নিয়ে ওই সহকর্মীর সমালোচনা করলেও এ ধরনের অশান্তি বার বার হতে দেবেন না।

কাজের প্রয়োজন বা দরকারি কথা ছাড়া এমন মানুষের সঙ্গে খুব একটা বাড়তি কথা বলবেন না। তার বলা কোনও কথাতেও মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।

তার বলা কথা বা মন্তব্য নিয়ে অকারণে মাথা গরম করবেন না বরং সেসব কথাকে মজার ছলে নিয়ে বুঝিয়ে দিন আপনি তার কথাকে কোনও গুরুত্বই দেননি। উপেক্ষাই এই ধরনের মানুষকে জব্দ করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

যদি তার সঙ্গে কোনও বিষয়ে সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে মন-মেজাজ ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত কোনও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে অংশ নেবেন না। বরং সংযত হয়ে তাকে জানান, এ বিষয়ে কিছুক্ষণ পরে আপনি তার সঙ্গে আলোচনা করবেন।

শেয়ার করুন:

Facebook
Twitter
Pinterest
LinkedIn

সম্পর্কিত পোস্ট

দেড়শ নারীকে স্বাবলম্বী করছেন ফেরদৌসি পারভীন!

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নারীদের একটা অংশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুঁজির অভাবে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারছে না। থামি. পিননসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রস্তুত করতে

উদ্যোক্তাদের জন্য মানসিক চাপ কমানোর কিছু পন্থা

আমরা আজকে উদ্যোক্তাদের জন্য আলোচনা করবো মানসিক চাপ কমানোর পন্থা নিয়ে কারন উদ্যোক্তারা অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে তার উদ্যোগ কে সফলার দিকে নিয়ে যেতে পারে

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী রায়হান!

‘পরিবারে কোনো আর্থিক অনটন ছিল না। পড়েছি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমার মতো ছেলে কেন ছাগল পালন করবে, এটাই ছিল মানুষের আপত্তির কারণ। কিন্তু মানুষের সেসব