বাংলাদেশে জাফরান চাষের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা!

সম্প্রতি বাংলাদেশে মূল্যবান মসলা জাফরান উৎপাদনে সাফল্য লাভ করেছেন রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) একদল গবেষক।

গবেষকদলের প্রধান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ফ ম জামাল উদ্দিন জানান, তাঁরাই দেশের মাটিতে প্রথম সফলভাবে জাফরান উৎপাদন করেছেন।

সম্প্রতি অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, বহুকাল ধরে নানা মুখরোচক খাবারের স্বাদ বাড়ানো ও মূল্যবান প্রসাধনীতে জাফরান ব্যবহার করা হয়।

এটি ইংরেজিতে স্যাফ্রন নামে পরিচিত যার বৈজ্ঞানিক নাম Crocus sativas। ছয় থেকে আট ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের প্রতিটি জাফরানগাছে এক থেকে দুটি গাড় বেগুনি রঙের ফুল হয়। জাফরানের কন্দ লাগানোর তিন মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে।

একটা কন্দ কয়েকবার ব্যবহার করা যায় বলে জানান তিনি। অধ্যাপক জামাল বলেন, বাংলাদেশ উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় জাফরান চাষ করা যায়। তবে স্বল্প আলোতে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জাফরান ভালো জন্মায়।

বেলে-দোআঁশ মাটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী। তিনি জানান, প্রতিবছর ৩৬ থেকে ৪০ কেজি জাফরান আমদানি করা হয়। যার প্রতি কেজির মূল্য আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা।

দেশে এটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করা সম্ভব হলে আমাদের আর আমদানিনির্ভর হয়ে থাকতে হবে না। মসলা উৎপাদনে দেশে যুগান্তকারী সাফল্য আনা যাবে।

শেয়ার করুন:

Facebook
Twitter
Pinterest
LinkedIn

সম্পর্কিত পোস্ট

দেড়শ নারীকে স্বাবলম্বী করছেন ফেরদৌসি পারভীন!

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নারীদের একটা অংশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুঁজির অভাবে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারছে না। থামি. পিননসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রস্তুত করতে

উদ্যোক্তাদের জন্য মানসিক চাপ কমানোর কিছু পন্থা

আমরা আজকে উদ্যোক্তাদের জন্য আলোচনা করবো মানসিক চাপ কমানোর পন্থা নিয়ে কারন উদ্যোক্তারা অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে তার উদ্যোগ কে সফলার দিকে নিয়ে যেতে পারে

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী রায়হান!

‘পরিবারে কোনো আর্থিক অনটন ছিল না। পড়েছি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমার মতো ছেলে কেন ছাগল পালন করবে, এটাই ছিল মানুষের আপত্তির কারণ। কিন্তু মানুষের সেসব