নতুন জাতের ব্রয়লারে দেশী মুরগীর স্বাদ পাওয়া যাবে!

দেশী মুরগির স্বাদ দরিদ্র লোকজন প্রায় ভুলতে বসেছে। কিন্তু আবারো ব্রয়লারের চেয়ে কম দামে দেশী মুরগির স্বাদ পাবেন দেশবাসী। এমনই সুখবর দিচ্ছেন বাংলাদেশ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের একদল গবেষক। ইতোমধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে জাত দুটির উৎপাদন শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে নিরলসভাবে গবেষণা করে বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত ব্রয়লার (মাংস উৎপাদনকারী) মুরগীর মাংসের চেয়ে অধিক স্বাদের জাত উদ্ভাবনে গবেষণায় সফলতা লাভ করেছেন বাকৃবির গবেষকরা।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আশরাফ আলী এবং প্রফেসর ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা দীর্ঘদিন গবেষণা করে বাউ-ব্রো সাদা এবং বাউ-ব্রো রঙিন জাতের মুরগি উদ্ভাবন করেছেন। মুরগির জাত দুটি এখন টেকসই প্রযুক্তি হিসেবে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

সকাল সাড়ে ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদের কাজি ফজলুর রহিম সম্মেলন কক্ষে বাউ-ব্রো মুরগি সম্প্রসারণ ও বিপণনের ওপর কর্মশালা এবং মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় উদ্ভাবিত মুরগির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালা ও মতবিনিময় সভায় অনুষদের ডিন এবং মুরগীর জাত উদ্ভাবনের প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মো. আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলন প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মহাব্যবস্থাপক শরীফ আহমেদ চৌধুরী, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজেএফ) কর্মসূচি পরিচালক কাজী এম কমরউদ্দিন এবং বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার।

শেয়ার করুন:

Facebook
Twitter
Pinterest
LinkedIn

সম্পর্কিত পোস্ট

দেড়শ নারীকে স্বাবলম্বী করছেন ফেরদৌসি পারভীন!

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নারীদের একটা অংশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুঁজির অভাবে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারছে না। থামি. পিননসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রস্তুত করতে

উদ্যোক্তাদের জন্য মানসিক চাপ কমানোর কিছু পন্থা

আমরা আজকে উদ্যোক্তাদের জন্য আলোচনা করবো মানসিক চাপ কমানোর পন্থা নিয়ে কারন উদ্যোক্তারা অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে তার উদ্যোগ কে সফলার দিকে নিয়ে যেতে পারে

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী রায়হান!

‘পরিবারে কোনো আর্থিক অনটন ছিল না। পড়েছি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমার মতো ছেলে কেন ছাগল পালন করবে, এটাই ছিল মানুষের আপত্তির কারণ। কিন্তু মানুষের সেসব