একাধিক আয়ের উৎস তৈরী করুন!

আমরা প্রত্যেকেই প্রয়োজন মেটানোর চাই আয় বাড়াতে। কারন আয়ের উপরে জীবন যাত্রার মান নির্ধারিত হয়ে খাকে। আয় বাড়ানোর জন্য আমাদের চেষ্টার কোন কমতি নেই। কিন্তু কজনে পারছি আয় বাড়াতে? খরচের পরিমান বাড়লেও আয় বাড়ছেনা অনেকেরই। আবার পারছেন না নতুন করে আয়ের ক্ষেত্র তৈরী করতে। দিন আনতে পানতা ফুরালেও মুখে হাসি রেখেই চলতে হচ্ছে।

আয় বাড়ানোর জন্য একটি পথের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা থেকে আপনি যা আশা করছেন তা নাও পেতে পারেন। আবার এই একটি ক্ষেত্রের আয় থেকে আপনি কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলে তা পুষিয়ে উঠতে পারছেন না। ”মুলধন কখনও এক প্রাত্রে রাখতে নেই” কথাটি শুনে খাকবেন। সুদক্ষ এবং কৌশলী উদ্যোক্তারা এ কাজটি সব সময় করে থাকে। ঠিক তেমনি কখনও একটি মাত্র উৎসের আয়ের উপর নির্ভর করা কখনও ঠিক নয়।

আয় বাড়াতে হলে আপনাকে একধিক আয়ের উৎস খুজে বের করতে হবে। এক জনের কাছ থেকে দুইশত টাকা আয়ের চেয়ে বিশ জনের কাছ থেকে বিশ টাকা করে আয় করুন। দিন শেষে গড় আয় দেখবেন বেড়ে গেছে। আয় বাড়াতে হলে আপনাকে অবশ্যই কৌশলী হতে হবে। তার মানে কিন্তু এটা নয় যে আপনি অসৎ পথ অবলম্বন করবেন।

ভাবছেন আমি চাকুরী করি এটা কিভাবে সম্ভব? আবার ভাবছেন আমি যে কাজ করি তাতে ১২ ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হয় কিভাবে আরেকটি আয়ের পথ খুজে বের করব। একটা কথা স্মরণ রাখুন সব সময় একটা সমস্যার কিন্তু কখনও একটা মাত্র সমাধান থাকে না। একটা সমস্যা সমাধানের হাজারটা পথ খোলা থাকে। আর পথে নামলেই পথ চেনা যায়।

আয় বুঝে ব্যয় কর কথাটি মিতব্যয়িতার সুত্রের মধ্যে রাখুন। আমি এখন যে কথাগুলো বলব তা আপনার কাছে একটু ভিন্নই মনে হবে। ব্যয় বুঝে আপনাকে আয় করতে হবে। না হলে আপনাকে কুয়োর ব্যাঙের মত করেই জীবন যাপন করতে হবে। আপনি প্রথমত আপনার ব্যয় হিসাব করুন। এরপর ভবিষ্যতের জন্য যেটা সঞ্চয় করতে চান সেই পরিমান টাকা যুক্ত করুন। এবার আপনার আয়ের খেকে আপনি যত টাকা পিছিয়ে সেই টাকা অর্জনের জন্য রাস্তা খুজতে থাকুন। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার ব্যয়ের থেকে বেশী টাকা আয় করতে না পারছেন ততক্ষণ পর্যন্ত আয়ের রাস্তায় চলতে থাকুন। তবে সাবধান অবশ্যই অসৎ পথ এড়িয়ে চলুন।

আমাদের অনেকেই অনেক অর্থ উপার্জন করতে ব্যর্থ হলে অনেক সময় বলে থাকি এত অর্থের কি দরকার একটা মানুষের। অর্থের মলিক হলে মানুষিকতার পরিবর্তন হয়। অর্থ মানুষকে অশান্তিতে রাখে। অর্থের পিছনে ‍ছুটে সুখ বিসর্জন দিতে রাজি না। তাদের জন্য বলি অর্থ ভীতি নিজের মধ্য থেকে দূর করুন। সুখী হওয়ার সাথে অর্থের সম্পর্ক আছে কিন্তু সেজন্য অল্প অর্থের মালিক হলে সুখী হবেন এধারনা পরিহার করুন।

সাথে থাকুন। অর্থের সাথে আমাদের সুখ অসুখের মনোভব নিয়ে বিস্তারিত লিখব আগামী লিখায়। শুভকামনা নিরন্তর। আমাদের আপডেট নিয়মিত পেতে উদ্যোক্তার খোঁজে ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন।

শেয়ার করুন:

Facebook
Twitter
Pinterest
LinkedIn

সম্পর্কিত পোস্ট

দেড়শ নারীকে স্বাবলম্বী করছেন ফেরদৌসি পারভীন!

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নারীদের একটা অংশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুঁজির অভাবে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারছে না। থামি. পিননসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রস্তুত করতে

উদ্যোক্তাদের জন্য মানসিক চাপ কমানোর কিছু পন্থা

আমরা আজকে উদ্যোক্তাদের জন্য আলোচনা করবো মানসিক চাপ কমানোর পন্থা নিয়ে কারন উদ্যোক্তারা অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে তার উদ্যোগ কে সফলার দিকে নিয়ে যেতে পারে

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী রায়হান!

‘পরিবারে কোনো আর্থিক অনটন ছিল না। পড়েছি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমার মতো ছেলে কেন ছাগল পালন করবে, এটাই ছিল মানুষের আপত্তির কারণ। কিন্তু মানুষের সেসব