২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসি যত ইভেন্ট দেখা যাবে ফেসবুকে!

আগামী ২০২৩ সাল পর্যন্ত আইসিসির যত ইভেন্ট হবে তার সবই দেখা যাবে ফেসবুকে। এমনটাই চুক্তি হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মধ্যে। এর মানে এখন থেকে আইসিসির ডিজিটাল স্বত্ব ফেসবুক।

গত বছর ভারতীয় উপমহাদেশে লালিগার স্বত্ব কিনেছে ফেসবুক। এরপর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) জন্যও চেষ্টা চালায় ফেসবুক। কিন্তু নিলামে স্টার স্পোর্টসের কাছে হেরে যায়। স্টারের কাছে হারলেও শেষ পর্যন্ত আইসিসি’র হাত ধরেই ক্রিকেটে প্রবেশ করল ফেসবুক। আজ ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তিসই করে আইসিসি।

আগামী চার বছরের চুক্তিতে রয়েছে ম্যাচ রিক্যাপ, খেলার বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত এবং ম্যাচ আর ফিচার কন্টেন্ট। চুক্তিসইয়ের পর আইসিসির চিফ এক্সিকিউটিভ মনু সনি এক অফিশিয়াল বার্তায় জানান, গ্লোবাল ক্রিকেট পরিবারে এত বছরের জন্য ফেসবুককে আহ্বান জানাতে পেরে আমরা খুশি।

মাল্টি মার্কেট পার্টনারশিপ যেটা আমাদের খেলার জন্য এই প্রথম। বিশ্বের সব থেকে বেশি দেখা খেলা এবং বিশ্বের সব থেকে বড় মঞ্চ যুক্ত হওয়ার ক্রিকেটে এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে যেতে পারবে খুব দ্রুত।

সদ্য শেষ হওয়া ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দারুণ সাফল্য পেয়েছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন মানুষ আইসিসির ডিজিটাল এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভিডিও দেখেছে। এ নিয়ে মনু সনি আরও বলেন, এই চুক্তির ফলে আমরা ক্রিকেট ফ্যানদের ভাল কিছু দিতে পারব।

যাতে নতুন ফলোয়ার তৈরি হবে। আমারা উচ্ছ্বসিত এর ভবিষ্যতের কথা ভেবে। এই চুক্তির মধ্য থাকছে আইসিসির বড় ইভেন্টগুলো। রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২০ মহিলা ও পুরুষ। ২০২১ মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপ ও ২০২৩ পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ।

শেয়ার করুন:

Facebook
Twitter
Pinterest
LinkedIn

সম্পর্কিত পোস্ট

দেড়শ নারীকে স্বাবলম্বী করছেন ফেরদৌসি পারভীন!

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি নারীদের একটা অংশ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু পুঁজির অভাবে অনেকেই উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারছে না। থামি. পিননসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রস্তুত করতে

উদ্যোক্তাদের জন্য মানসিক চাপ কমানোর কিছু পন্থা

আমরা আজকে উদ্যোক্তাদের জন্য আলোচনা করবো মানসিক চাপ কমানোর পন্থা নিয়ে কারন উদ্যোক্তারা অনেকেই মানসিক চাপ নিয়ে তার উদ্যোগ কে সফলার দিকে নিয়ে যেতে পারে

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী রায়হান!

‘পরিবারে কোনো আর্থিক অনটন ছিল না। পড়েছি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমার মতো ছেলে কেন ছাগল পালন করবে, এটাই ছিল মানুষের আপত্তির কারণ। কিন্তু মানুষের সেসব